Wednesday, 16 October 2024

শিনাটান

 বৃক্ষে মরণ ব্যধি গ্রাস করে,

 আমরা তাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য কাজ করি।

হঠাৎ তিনি বলে উঠলেন;-


 ""ঘূর্ণি ঝড়ের সাথে যুদ্ধ করেই বাঁচি আমি, ঘূর্ণিপাকে আমার ডাল-পালা ভাঙলেও মূল ভাঙেনা, মন ভাঙেনা।

যদি পারো তবে আমার দেহের সাথে বাতাসের ঘর্ষণ করা ঝড়ের গতি কমাও! তবুও মূলহীন মরা গাছের ঠেক দেবার প্রয়োজন নাই। মৃত বৃক্ষ আমাকে সাহায্য করবে কিভাবে!

তার নিজেরই শেকড় নেই, মৃত্তিকা নেই।

বাঁচলে আমি স্থীর হয়ে বাঁচবো।

মরলে ধীরে মরবো।""


মানবের পক্ষেতো আর ঝড়ের গতি কমানো সম্ভব নয়,ঘূর্ণির ঘোর কেটে গেলে বৃক্ষদের হৈহুল্লোড় শুরু হয়ে যায়,  আকাশ বাতাশ, চাঁদ সূর্য্য তারকারাজির সাথে অসুখ-বিসুখ, শোক-শান্তি নিয়ে ব্যাপক কথোপকথন,আলোচনা সমালোচনা  চলে, আমরা সে রুপ দেখিনা।


আমরা দেখি কালকের আকাশ ছোঁয়া গাছ গুলো আজকে মাটির সাথে দুস্তি, আমাদের দিয়েছেন স্বস্তি।  

টুকরোটুকরো হয়ে রয়েছেন, তাদের আমরা জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করি,যদি প্রয়োজন পড়ে বাঁকি অংশ আসবাবপত্র বানিয়ে সমাজ, সংসার, সংস্কার করি।


আর যে বৃক্ষটা বুক ফুলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে!

সে বিদ্রোহী।

চির উন্নত শির।


তিন/ মার্চ/একুইশ

0 Comments:

Post a Comment

Subscribe to Post Comments [Atom]

<< Home